চাকরি গেল অজি ক্রিকেটারদের; বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত!
শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট বোর্ডের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করল না অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা। গতকাল ৩০ জুন রাত ১২:০১ মিনিটে শেষ হয়ে গেছে বোর্ডের দেওয়া ডেডলাইন। এরপরই ঘোষণা অনুযায়ী চাকরি হারিয়েছেন স্মিথ-ওয়ার্নারসহ প্রায় ৭০ জন ক্রিকেটার! ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) শর্ত মেনে নতুন চুক্তিতে সই আজ সকাল থেকে তারা আর সিএর চুক্তিভুক্ত চাকুরে নন!
এদিকে আপাতত ক্রিকেটারদের বেতন দিতে হবে না ভেবেও খুশি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। প্রতি ১৫ দিনে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা বাবদ ১২ লাখ ডলার খরচ হতো। দুই পক্ষ সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত এই টাকাটা তৃণমূল ক্রিকেটে খরচ করার ঘোষণা দিয়েছে সিএ। প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড বলেছেন, 'চুক্তিতে সাক্ষর না করে ঠিক কাজ করল না ক্রিকেটাররা। এতে তাদের পরিবার আর্থিক চাপে পড়বে।'
তবে ক্রিকেটাররা বলছেন চাকরি না থাকলেও সমস্যা নেই। ক্রিকেটারদের মুখপাত্র জশ হ্যাজলউড বলেছেন, 'বেতন না পেলে ক্ষতি নেই। সিএর অন্যায় প্রস্তাব মানার চেয়ে বেকার থাকা ভালো।'
ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দর্শক হয় না, এই যুক্তিতে ওই পর্যায়ে খেলা ক্রিকেটারদের লভ্যাংশ দিতে চাইছে না সিএ। এছাড়া ক্রিকেটারদের সমস্যা এখানেই। আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার আয়ের শতকরা ২৫ ভাগ পেতেন অস্ট্রেলিয়ার সব ক্রিকেটার। নতুন প্রস্তাব সব ক্রিকেটার নয়, বাড়তি আয়ের অংশ শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সিএ।ক্রিকেটারদের সংগঠন দ্য অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (এসিএ) এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলছে, সব পর্যায়ের ক্রিকেটারদের মাঝে বণ্টন করতে হবে বাড়তি আয়ের অংশ।
এই সংকেটের সমাধান কী সেটা এখনও অনিশ্চিত। অজি বোর্ড বনাম ক্রিকেটারদের বিবাদের ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে অজিদের বাংলাদেশ সফর। এই সমস্যার সমাধান না হলে বহুল প্রতীক্ষিত এই টেস্ট সিরিজ ঝুলে যেতে পারে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ভারত সফর, নভেম্বর-জানুয়ারির অ্যাশেজ ঘিরেও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
এত সব অনিশ্চয়তায় সম্প্রচার সংস্থা, স্পনসর, খেলোয়াড় ও প্রশাসক—সবাই শঙ্কিত ভবিষ্যৎ নিয়ে।
শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট বোর্ডের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করল না অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা। গতকাল ৩০ জুন রাত ১২:০১ মিনিটে শেষ হয়ে গেছে বোর্ডের দেওয়া ডেডলাইন। এরপরই ঘোষণা অনুযায়ী চাকরি হারিয়েছেন স্মিথ-ওয়ার্নারসহ প্রায় ৭০ জন ক্রিকেটার! ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) শর্ত মেনে নতুন চুক্তিতে সই আজ সকাল থেকে তারা আর সিএর চুক্তিভুক্ত চাকুরে নন!
এদিকে আপাতত ক্রিকেটারদের বেতন দিতে হবে না ভেবেও খুশি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। প্রতি ১৫ দিনে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা বাবদ ১২ লাখ ডলার খরচ হতো। দুই পক্ষ সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত এই টাকাটা তৃণমূল ক্রিকেটে খরচ করার ঘোষণা দিয়েছে সিএ। প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড বলেছেন, 'চুক্তিতে সাক্ষর না করে ঠিক কাজ করল না ক্রিকেটাররা। এতে তাদের পরিবার আর্থিক চাপে পড়বে।'
তবে ক্রিকেটাররা বলছেন চাকরি না থাকলেও সমস্যা নেই। ক্রিকেটারদের মুখপাত্র জশ হ্যাজলউড বলেছেন, 'বেতন না পেলে ক্ষতি নেই। সিএর অন্যায় প্রস্তাব মানার চেয়ে বেকার থাকা ভালো।'
ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দর্শক হয় না, এই যুক্তিতে ওই পর্যায়ে খেলা ক্রিকেটারদের লভ্যাংশ দিতে চাইছে না সিএ। এছাড়া ক্রিকেটারদের সমস্যা এখানেই। আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার আয়ের শতকরা ২৫ ভাগ পেতেন অস্ট্রেলিয়ার সব ক্রিকেটার। নতুন প্রস্তাব সব ক্রিকেটার নয়, বাড়তি আয়ের অংশ শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সিএ।ক্রিকেটারদের সংগঠন দ্য অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (এসিএ) এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলছে, সব পর্যায়ের ক্রিকেটারদের মাঝে বণ্টন করতে হবে বাড়তি আয়ের অংশ।
এই সংকেটের সমাধান কী সেটা এখনও অনিশ্চিত। অজি বোর্ড বনাম ক্রিকেটারদের বিবাদের ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে অজিদের বাংলাদেশ সফর। এই সমস্যার সমাধান না হলে বহুল প্রতীক্ষিত এই টেস্ট সিরিজ ঝুলে যেতে পারে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ভারত সফর, নভেম্বর-জানুয়ারির অ্যাশেজ ঘিরেও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
এত সব অনিশ্চয়তায় সম্প্রচার সংস্থা, স্পনসর, খেলোয়াড় ও প্রশাসক—সবাই শঙ্কিত ভবিষ্যৎ নিয়ে।

No comments:
Post a Comment