ডায়াবেটিস হল বিপাক জনিত একটি রোগ। ইনসুলিন নামক একটি হরমোনের পুষ্টিগত ঘাটতির কারনে বিপাকজনিত সমস্যা সূষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান কমে গিয়ে তা প্রসাবের সাথে বেরিয়ে আসে । আর এই অবস্থাকেই ডায়াবেটিকস বলা হয় । ইহা কোন সংক্রামক রোগ না । সুশূঙ্খল জীবন যাপন আর কিছু সঠিক নিয়ম মেনে চলতে পারলে ডায়াবেটিকস রোগটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে রেখে সুস্থ্য ভাবে জীবন অতিবাহিত করে সম্ভব ।আর এই ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রনে রাখার কিছু নিয়ম কানুন নিচে তুলে ধরা হল....
১: ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যে নিয়ন্ত্রন আনা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। শরীরে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ও পরে একই রকম থাকে। তাই, খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীর স্বাস্থ্য ও ভাল রাখা যায় ।
২: ডায়াবেটিস যেহেতু আজীবনের রোগ, তাই সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করলে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়ম গুলি অবশ্যই রোগীকে নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে, তবে রোগীর পরিবারের কাছের সদস্যদের সহযোগিতা রোগীকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য রোগীর যেমন ডায়াবেটিস সর্ম্পকে ভাল জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একই ভাবে রোগীর নিকট আত্মীয় স্বজনদের ও এই রোগ সর্ম্পকে প্রচুর ধারনা রাখতে হবে ।
৩: ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই খাদ্য, ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে ।
৪: অনেক সময় টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমানোর জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন।
৫: রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা খুবই গূরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । নিয়মিত ব্যায়াম করতে থাকলে শরীর সু্স্থ থাকার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট হাঁটলে শরীর অনেক সু্স্থ থাকে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে, যতটুকু পারা যায় শারিরিক পরিশ্রম করতে হবে।
কিছু বাড়তি সতর্কতা :
১: ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যে নিয়ন্ত্রন আনা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। শরীরে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ও পরে একই রকম থাকে। তাই, খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভাল রাখা যায়।
২:ডায়াবেটিস যেহেতু আজীবনের রোগ, তাই সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করলে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ব্যবস্থাগুলি অবশ্যই রোগীকে নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে, তবে রোগীর পরিবারের নিকট সদস্যদের সহযোগিতা এ ব্যাপারে রোগীকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য রোগীর যেমন ডায়াবেটিস সর্ম্পকে ভাল জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একইভাবে রোগীর নিকট আত্মীয় স্বজনদেরও এই রোগ সর্ম্পকে ধারনা রাখতে হবে।৩: ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই খাদ্য, ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে।
৪: টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমাবার জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন।
৫: রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা খুবই গূরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর সু্স্থ থাকার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটলে শরীর যথেষ্ঠ সু্স্থ থাকবে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে, যতটুকু পারা যায় কায়িক পরিশ্রম করতে হবে।
বাড়তি সতর্কতা
১: ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যে নিয়ন্ত্রন আনা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। শরীরে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ও পরে একই রকম থাকে। তাই, খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীর স্বাস্থ্য ও ভাল রাখা যায় ।
২: ডায়াবেটিস যেহেতু আজীবনের রোগ, তাই সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করলে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়ম গুলি অবশ্যই রোগীকে নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে, তবে রোগীর পরিবারের কাছের সদস্যদের সহযোগিতা রোগীকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য রোগীর যেমন ডায়াবেটিস সর্ম্পকে ভাল জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একই ভাবে রোগীর নিকট আত্মীয় স্বজনদের ও এই রোগ সর্ম্পকে প্রচুর ধারনা রাখতে হবে ।
৩: ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই খাদ্য, ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে ।
৪: অনেক সময় টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমানোর জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন।
৫: রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা খুবই গূরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । নিয়মিত ব্যায়াম করতে থাকলে শরীর সু্স্থ থাকার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট হাঁটলে শরীর অনেক সু্স্থ থাকে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে, যতটুকু পারা যায় শারিরিক পরিশ্রম করতে হবে।
কিছু বাড়তি সতর্কতা :
১: ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যে নিয়ন্ত্রন আনা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। শরীরে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ও পরে একই রকম থাকে। তাই, খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভাল রাখা যায়।
২:ডায়াবেটিস যেহেতু আজীবনের রোগ, তাই সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করলে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ব্যবস্থাগুলি অবশ্যই রোগীকে নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে, তবে রোগীর পরিবারের নিকট সদস্যদের সহযোগিতা এ ব্যাপারে রোগীকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য রোগীর যেমন ডায়াবেটিস সর্ম্পকে ভাল জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একইভাবে রোগীর নিকট আত্মীয় স্বজনদেরও এই রোগ সর্ম্পকে ধারনা রাখতে হবে।৩: ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই খাদ্য, ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে।
৪: টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমাবার জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন।
৫: রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা খুবই গূরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর সু্স্থ থাকার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটলে শরীর যথেষ্ঠ সু্স্থ থাকবে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে, যতটুকু পারা যায় কায়িক পরিশ্রম করতে হবে।
বাড়তি সতর্কতা
- চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই বাদ দিতে হবে।
- চাল, আটা এবং মিষ্টি ফল ইত্যাদি কিছুটা হিসেব করে খেতে হবে।
- ডাল, শাক, সবজি, টক জাতীয় ফল ইত্যাদি আঁশবহুল খাবার বেশী করে খেতে হবে।
- উদ্ভিজ্জ তেল অর্থাৎ সয়াবিন, সরিষার তেল ইত্যাদি এবং সব ধরনের মাছ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
- ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।
- মাংস, চর্বি, ঘি, মাখন, ডালডা ইত্যাদি ফ্যাট খাবার যতটা সম্ভব কম খেতে হবে।
- অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
নিয়মিত সতর্কতা
- নিয়মিত ব্যায়াম বা দৈহিত পরিশ্রম করতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।
- শরীর অবশ্যই পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
- নিয়মিত ও পরিমাণ মতো সুষম খাবার খেতে হবে।
- খাবার হতে চিনি, মিষ্টি, গুড় ও মধুযুক্ত খাবার সম্পূর্ণরুপে বাদ দিতে হবে।
- ধূমপান বন্ধ করতে হবে।
- নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল প্রস্রাব পরীক্ষার বইতে লিখে রাখতে হবে
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা বন্ধ রাখা যাবে না।
- শারীরিক কোন অসুবিধা দেখা দিলে দেরী না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
- এখন বাজারে তাৎক্ষনিকভাবে রক্তের শর্করা পরিমাপ করার জন্য শর্করা পরিমাপক যন্ত্র পাওয়া যায়। এটা দিয়ে নিজে নিজেই রক্তের শর্করা পরিমাপ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আবার রক্তে শর্করা পরিমাপক বিশেষ কাঠির সাহায্যেও
- তাৎক্ষনিকভাবে রক্তে শর্করার পরিমান নির্ণয় করা যায়।
ডায়াবেটিসের চিকিৎসা
রক্তে শকর্রার স্বল্পতা বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোর জন্য ট্যাবলেট অথবা ইনসুলিন দেয়া হয়। ট্যাবলেট খাওয়ার বা ইনসুলিন নেয়ার ফলে যদি শর্করার পরিমাণ খুব কমে যায় তাহলে শরীরে কিছু প্রতিক্রিয়া, যেমন- অসু্স্থ বোধ করা, বুক ধড়ফড় করা, শরীর কাঁপতে থাকা, বেশী ঘাম হওয়া, শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক আচরণ করা, খুব বেশী খিদে পাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। ট্যাবলেট বা ইনসুলিন গ্রহনের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশী হলে, ইনসুলিন ও সিরিঞ্জ একই মাপের না হলে, খুব কম খেলে বা খাবার না খেলে, ইনসুলিন গ্রহনের পরে খুব দেরী করে খাবার খেলে এ সমস্যাগুলো হতে পারে। রক্তে শকর্রার অভাব হলে রোগীকে চা-চামচের ৪ থেকে ৮ চামচ গ্লুকোজ বা চিনি এক গ্লাস পানিতে গুলে খাইয়ে দিতে হবে অথবা গ্লুকোজ ইনজেকশন দিতে হবে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
রক্তে শকর্রার স্বল্পতা বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোর জন্য ট্যাবলেট অথবা ইনসুলিন দেয়া হয়। ট্যাবলেট খাওয়ার বা ইনসুলিন নেয়ার ফলে যদি শর্করার পরিমাণ খুব কমে যায় তাহলে শরীরে কিছু প্রতিক্রিয়া, যেমন- অসু্স্থ বোধ করা, বুক ধড়ফড় করা, শরীর কাঁপতে থাকা, বেশী ঘাম হওয়া, শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক আচরণ করা, খুব বেশী খিদে পাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। ট্যাবলেট বা ইনসুলিন গ্রহনের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশী হলে, ইনসুলিন ও সিরিঞ্জ একই মাপের না হলে, খুব কম খেলে বা খাবার না খেলে, ইনসুলিন গ্রহনের পরে খুব দেরী করে খাবার খেলে এ সমস্যাগুলো হতে পারে। রক্তে শকর্রার অভাব হলে রোগীকে চা-চামচের ৪ থেকে ৮ চামচ গ্লুকোজ বা চিনি এক গ্লাস পানিতে গুলে খাইয়ে দিতে হবে অথবা গ্লুকোজ ইনজেকশন দিতে হবে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
অপর্যাপ্ত ইনসুলিন নিলে অথবা ইনসুলিন নির্ভর রোগী ইনসুলিন একেবারেই না নিলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। শরীরে ইনসুলিনের অভাব হলে, ইনসুলিনের অভাবে রক্তের শর্করা শরীরের কোনও কাজে লাগতে পারে না, তখন তাপ ও শক্তির জন্য দেহে সঞ্চিত চর্বি ব্যবহার হতে থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত ইনসুলিনের অভাবে এই চর্বি অধিক হারে ভাঙ্গার ফলে রক্তে কিছু ক্ষতিকর পদার্থ ও অম্ল বেড়ে যায়, ফলে এসিটোন নামক একটি কিটোন বডি অধিক পরিমাণে বেড়ে গেলে, অম্লতার জন্য রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়। এই অবস্থাকে বলে ডায়াবেটিক কোমা। প্রস্রাবে শর্করার পরিমাণ খুব বেশী বেড়ে গেলে, খুব বেশী বা ঘন ঘন পিপাসা লাগলে, ঘন ঘন প্রস্রাব হলে, বেশি বেশি ক্ষুধা লাগলে, খুব অসু্স্থ বোধ হলে, বমি বমি ভাব হলে, শরীরে দুর্বলতা অনুভুত হলে, ঝিমানো ভাব, শ্বাস কষ্ট হলে, নিঃশ্বাস দ্রুত হলে, প্রচণ্ড মাথা ধরলে, নিস্তেজ অনুভুত হলে ইত্যাদি ডায়াবেটিক কোমার লক্ষণ। এই লক্ষণ গুলি দেখা দিলে শরীরে পানি স্বল্পতা কমানোর জন্য অতিরিক্ত লবণ মিশ্রিত পানি খেতে হবে, ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়াতে হবে এবং প্রস্রাবে কিটোন বডি আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজন মনে করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডায়াবেটিস কাদের হতে পারে?
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। যে কেউ যে কোন বয়সে যে কোন সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে, যাদের বংশে ডায়াবেটিস আছে, ওজন অনেক বেশী হলে, গর্ভাবস্থায়, যারা কোনও ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করেন না এবং দীর্ঘদিন ধরে কর্টিনোল জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। যে কেউ যে কোন বয়সে যে কোন সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে, যাদের বংশে ডায়াবেটিস আছে, ওজন অনেক বেশী হলে, গর্ভাবস্থায়, যারা কোনও ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করেন না এবং দীর্ঘদিন ধরে কর্টিনোল জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
কিভাবে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে?
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা সেটা বোঝার জন্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান ৬.১ মিলিমোল/লিটার থাকে এবং খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে যদি তা ৮.০ মিলি মোল/লিটার পর্যন্ত হয়, তবে বুঝতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে। অপরদিকে খাবারের ২ ঘণ্টা পর, পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমান ১০.০ মিলি মোল/লিটার পর্যন্ত হলে বুঝতে হবে ডায়াবেটিস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং রক্তে গ্লুকোজের পরিমান এর চেয়ে বেশী হলে বুঝতে হবে ডায়াবেটিন নিয়ন্ত্রণে নেই।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা সেটা বোঝার জন্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান ৬.১ মিলিমোল/লিটার থাকে এবং খাওয়ার ২ ঘণ্টা পরে যদি তা ৮.০ মিলি মোল/লিটার পর্যন্ত হয়, তবে বুঝতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে। অপরদিকে খাবারের ২ ঘণ্টা পর, পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমান ১০.০ মিলি মোল/লিটার পর্যন্ত হলে বুঝতে হবে ডায়াবেটিস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং রক্তে গ্লুকোজের পরিমান এর চেয়ে বেশী হলে বুঝতে হবে ডায়াবেটিন নিয়ন্ত্রণে নেই।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে না থাকলে
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে না থাকলে হৃদরোগ, পায়ে পচনশীল ক্ষত, চক্ষুরোগ, পক্ষাঘাত, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা, মুত্রাশয়ের রোগ, প্রস্রাবে আমিষ বের হওয়া, কিডনীর কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া, যক্ষা, মাড়ির প্রদাহ, পাতলা পায়খানা, চুলকানি, ফোঁড়া, যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে অকালে সন্তান প্রসব, জন্মের পর পরই শিশুর মৃত্যু, বেশী ওজনের শিশু হওয়া, মৃত শিশুর জন্ম, অটিজম ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে না থাকলে হৃদরোগ, পায়ে পচনশীল ক্ষত, চক্ষুরোগ, পক্ষাঘাত, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা, মুত্রাশয়ের রোগ, প্রস্রাবে আমিষ বের হওয়া, কিডনীর কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া, যক্ষা, মাড়ির প্রদাহ, পাতলা পায়খানা, চুলকানি, ফোঁড়া, যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে অকালে সন্তান প্রসব, জন্মের পর পরই শিশুর মৃত্যু, বেশী ওজনের শিশু হওয়া, মৃত শিশুর জন্ম, অটিজম ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।
সবশেষে
ডায়াবেটিস রোগটি সারা জীবনের রোগ। এটি কখনোই সম্পূর্ণরূপে সেরে যায় না। তবে একটু সচেতন হলে এবং সুচিকিৎসা গ্রহন করলে এ রোগকে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে প্রায় স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করা যায়।
আজ এই পর্যন্ত ই লেখা গুলো ভাল লাগলে অব্যশই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন । আর ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার দূষ্টিতে দেখবেন ।
এছাড়া ও ফেসবুকে আমাদের পাবেন এখানে
আজ এই পর্যন্ত ই লেখা গুলো ভাল লাগলে অব্যশই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন । আর ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার দূষ্টিতে দেখবেন ।
এছাড়া ও ফেসবুকে আমাদের পাবেন এখানে

No comments:
Post a Comment