খুসকি নিয়ে চিন্তিত জেনে নিন কিছু সহজ সমাধান - Bhairab News

sohozbazar.com

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Sunday, June 18, 2017

খুসকি নিয়ে চিন্তিত জেনে নিন কিছু সহজ সমাধান

 বাহিরের বাতাসে ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব, ঘন কুয়াশা…এ সবই শীত আসার  বার্তা আমাদের পৌঁছে দিয়ে যায়। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ দু’মাসেই মূলত শীতটা পুরুপুরি ভালকরে অনুভব করা যায় । আমাদের দেশের অধিবাসীদের জন্য শীত কিছুটা স্বস্তিরই – তীব্র রোদ নেই, ঘাম নেই। কিন্তু অতিরিক্ত শীত ও কিন্তু অনেক কষ্টের কারন হয়ে দাডায় ।

 শীতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে দেখা বিভিন্ন রকম  স্বাস্থ্যগত বা শারীরিক সমস্যা। এসব সমস্যার মধ্যে খুশকির সমস্যা ও একটি বিরাট সমস্যা । ছেলে অথবা মেয়ে সবাই এ সমস্যায় কম/বেশি ভুগে থাকি। শীতকালে এ সমস্যা অনেক সময় অনেক বড় আকার ধারণ করে। তবে অন্য সব সমস্যার মত এ সমস্যারও সমাধান আছে। কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে পারলে  গ্রহণ খুশকির সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যায় । আমরা আজ চুলের খুশকি হওয়ার পিছনের কারন গুলো নিয়ে নিয়ে আলোচনা করব।

শুষ্ক ত্বকের কারণে :
শুষ্ক ত্বক খুশকি হওয়ার অন্যতম প্রধান কারনগুলোর মধ্যে একটি কারন ।শীতে আবহাওয়ায় আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারনে  ত্বকের শুষ্কতা বেড়ে যায় । বাহিরের ঠান্ডা বাতাস ও ঘরের তুলনা মূলক গরম বাতাসের কারনে তাপমাত্রার যে অসামাঞ্জস্যতা দেখা দেয় সে কারণে ও খুশকি হয়ে থাকে।

চুল নিয়মিত না আঁচড়ালে :
চুল যথেষ্ট পরিমাণে না আঁচড়ালে ও খুশকি হয়ে থাকে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে মাথার ত্বকের চামড়া ঝরে যাওয়ার প্রবণতা। নিয়মিত চুল না আঁচড়ানোর ফলে মৃত চামড়া গুলো ঝরে পড়তে পারে না। যার ফলে খুশকির সৃষ্টি হয় ।

৩। যাদের ঈস্ট এ এলার্জিক আছে তাদের খুশকির প্রবণতা বেশি থাকে । সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি এবং ঈস্ট কাউন্টার এক্ট করে ও খুশকির জন্ম নেয়।

৪। নিয়মিত শ্যাম্পু না করার কারনে মাথার ত্বক অপরিষ্কার হয় যা থেকে খুশকির উৎপত্তি হয়।

৫। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি ও জিংক গ্রহণ না করলে খুশকি হয়। চর্বি জাতীয় অতিরিক্ত গ্রহণ করার ফলে ও খুশকি হয়।

৬। ম্যালেসেজিয়া নামক বিশেষ ধরনের ফাঙ্গাসের কারণে ও খুশকি হয়ে থাকে। সকলের স্ক্যাল্পেই এই ফাঙ্গাস থাকে কিন্তু কোন সমস্যার তৈরী করে না। কিন্তু যখনই এটির পরিমাণ  বেড়ে যায় তখনই এটি ত্বকের ক্ষরিত তেল শোষণ করে নেয়। যার ফলে স্ক্যাল্প অতিরিক্ত ত্বকীয় কোষ উৎপাদন করে । এ সকল অতিরিক্ত কোষ মৃত হলে স্ক্যাল্প ও চুলের তেলের সাথে মিশে খুশকির সৃষ্টি করে।

৭। খুশকির আর ও একটি বড় কারণ হল মানসিক চাপ। যারা অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে যারা থাকেন তাদের মাঝে খুশকির প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যায়।

৮। বিশেষ কিছু রোগ (যেমন- পারকিন্সন ডিসিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি) খুশকির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া সেন্সিটিভ ত্বক ও ত্বকের কিছু সমস্যা (যেমন – সোরিয়াসিস, একযেমা ইত্যাদি) খুশকি সৃষ্টি করে।

৯। পানি থেকে ও খুশকি হতে দেখা যায় অনেক সময় । পানিতে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হলে তা খুশকির কারণ হয়ে ওঠে। ক্লোরিন ত্বক শুষ্ক করে ফেলে যার ফলে খুশকি বৃদ্ধি পায়।

১০। কিছুদিন আগের একটি অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে ১০.৬% মানুষ যাদের এইচ.আই.ভি আছে তাদের খুশকির সমস্যা বেশি হয়ে থাকে।

উপরোক্ত কারণগুলোর কারনেই মূলত খুশকি হয়ে থাকে। সচেতন হয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারলে  অনায়াসেই খুশকি প্রতিরোধ করা সম্ভব ।

আজ এই পর্যন্তই পোস্টটি আর বড় করলাম না ।
আপনার মন্তব্য অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন ।
আর ও ভাল ভাল লেখা হাজির হব তাডা তাড়ি ব্লগে ফলো করে সাথেই থাকুন ।
ফেসবুকে আমাদের পেতে ক্লিক করুন এখানে ।

No comments:

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages